ঢাকা বিমানবন্দরে যুক্ত হচ্ছে মেট্রোরেল, সুফল পাবেন প্রবাসীরা

NEWS

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংলগ্ন কাওলা এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ের একটি লুপ নেমে গেছে বিমানবন্দরের নির্মাণাধীন তৃতীয় টার্মিনালে। ইতিমধ্যেই টার্মিনালের প্রথম গেট এলাকায় খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলছে। এখানে নির্মাণ করা হচ্ছে টানেল।

এই টানেল গিয়ে মিলবে বিমানবন্দরের অদূরে অবস্থিত মেট্রোরেল স্টেশনে। সবগুলোর নির্মাণ শেষ হলে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে আর মেট্রোরেলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হবে বিমানবন্দর।

ফলে বিদেশ থেকে যেসব যাত্রী আসবেন তারা খুব সহজেই বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে পারবেন। আবার যারা বিদেশ যাবেন তারাও রাজধানীর যানজট এড়িয়ে খুব সহজে চলে যেতে পারবেন বিমানবন্দরে।

একজন প্রবাসী রেলপথে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে এসে নামবেন কমলাপুর রেলস্টেশনে। সেখান থেকে পাতালরেলে করে খিলক্ষেত হয়ে কাওলা। সেখানে নেমে সুড়ঙ্গপথে চলে যাবেন হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে।

বিমানবন্দরের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে উঠে গেলেন উড়োজাহাজে। এরপর নিজ গন্তব্যে। এ সময়ে পড়বেন না কোনো যানজটে। কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত দেখবেন না সূর্যের আলো।

এটি শুনতে স্বপ্নের মতো মনে হলেও বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে ঢাকা এয়ারপোর্টে। রাজধানীর কাওলা রেলস্টেশনকে তৈরি করা হচ্ছে শুধু হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে যাওয়ার জন্য। দেশ থেকে যারা বিদেশ যাবেন বা বিদেশ থেকে যারা দেশে আসবেন, তাঁদের যাত্রা সহজ করতে বিমানবন্দরকে সাজানো হচ্ছে এভাবেই।

See also  সংযুক্ত আরব আমিরাতে স্বর্ণের দাম কমার সাথে সাথে চাহিদা ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে !

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করে সরাসরি চলে যাওয়া যাবে নির্মিতব্য নতুন টার্মিনালে।

এ কারণেই বিমানবন্দর এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে টার্মিনালে নামার জন্য রাখা হচ্ছে আলাদা ব্যবস্থা। ঠিক একই পথ ব্যবহার করে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়েও যাওয়া যাবে।

অন্যদিকে মেট্রোরেল-১ হচ্ছে কমলাপুর থেকে শুরু হয়ে রাজারবাগ-মালিবাগ-রামপুরা, যমুনা ফিউচার পার্ক, খিলক্ষেত হয়ে বিমানবন্দর পর্যন্ত।

এটি পুরোটাই পাতালরেল। কাওলা স্টেশন থেকে ২০০ মিটারের একটি টানেলের কাজ চলমান। একই সঙ্গে বিমানবন্দর থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ওঠার জন্য সুড়ঙ্গ নির্মাণের কাজও চলছে।

প্রথমে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল বিমানবন্দর থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত শতভাগ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর খুলে দেওয়া হবে। কিন্তু নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কথা মাথায় রেখে চলতি বছরই সাড়ে ১১ কিলোমিটার খুলে দিতে চায় সরকার। বাকি ৮ দশমিক ২৩ কিলোমিটার খুলে দেওয়া হবে পরের বছর।